• ১ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ১৫ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Lokesh Rahul

খেলার দুনিয়া

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজের দল ঘোষণা, চোটের কারণে নেই শুভমন—নেতৃত্বে ফিরলেন লোকেশ রাহুল

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। অনুমান মতই চোটের জন্য অনুপস্থিত শুভমন গিল। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া সফরে সহ-অধিনায়ক হিসেবে থাকা শ্রেয়স আয়ারও চোট সারাতে ব্যস্ত। ফলে নতুন অধিনায়ক বেছে নেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয় নির্বাচক অজিত আগরকরদের। আর সেই দায়িত্ব ফিরে গেল অভিজ্ঞ ব্যাটার লোকেশ রাহুলের হাতে। প্রায় দুবছর পরে সাদা বলের ফরম্যাটে ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দিতে দেখা যাবে তাঁকে।২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেই শেষবার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রাহুল। সেই অভিজ্ঞতাই এই সিরিজে তাঁকে আবারও অধিনায়ক হিসেবে এনে দিল। টেস্ট সিরিজে আশানুরূপ ফল না হওয়ার পর নির্বাচকরা নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় না গিয়ে অভিজ্ঞতার ওপরই ভরসা রাখলেন।হার্দিক পাণ্ড্য এখনও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরে আসার মতো ফিট নন, তাই তাঁকে বিবেচনায় আনা হয়নি। আর আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে মাথায় রেখে বুমরাহ ও মহম্মদ সিরাজকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। ক্রিকেটারদের ওপর বাড়তি চাপ এড়াতে এবং তরুণদের সুযোগ দিতে এই সিদ্ধান্ত বলে বোর্ড সূত্রে জানা যাচ্ছে। অভিজ্ঞ বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা এক দিনের দলে রয়েছেন, তবে জায়গা হয়নি পেসার মহম্মদ শামির।ভারতীয় দলের তরুণ ব্রিগেডে জায়গা পেয়েছেন নীতীশ কুমার রেড্ডি, হর্ষিত রানা এবং ধ্রুব জুরেল। তাঁদের সঙ্গে থাকছেন অভিজ্ঞ জাডেজা, কুলদীপ, ওয়াশিংটন সুন্দররাযারা দলের ভারসাম্য বজায় রাখবে।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের এক দিনের সিরিজের দল🏏 রোহিত শর্মা🏏 যশস্বী জয়সওয়াল🏏 বিরাট কোহলি🏏 তিলক বর্মা🏏 লোকেশ রাহুল (অধিনায়ক)🏏 ঋষভ পন্থ🏏 ওয়াশিংটন সুন্দর🏏 রবীন্দ্র জাডেজা🏏 কুলদীপ যাদব🏏 নীতীশ কুমার রেড্ডি🏏 হর্ষিত রানা🏏 রুতুরাজ গায়কোয়াড়🏏 প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ🏏 অর্শদীপ সিংহ🏏 ধ্রুব জুরেল🚨 NEWS 🚨#TeamIndias squad for @IDFCFIRSTBank ODI series against South Africa announced.More details ▶️https://t.co/0ETGclxAdL#INDvSA pic.twitter.com/3cXnesNiQ5 BCCI (@BCCI) November 23, 2025এই দল নিয়ে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কেমন ফল করে ভারতসেদিকেই এখন তাকিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

মহসীনের দাপটে আবার জয় লখনউ–র, এগিয়ে গেল প্লে অফের দিকে

আবার জ্বলে উঠলেন মহসীন খান। ১৬ রানে ৪ উইকেট তুলে নিলেন এই বাঁহাতি জোরে বোলার। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের ওপর ভর করে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৬ রানে হারাল লখনউ সুপার জায়ান্টস। একই সঙ্গে ১০ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করে প্লে অফের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল লোকেশ রাহুলের দল। এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। দারুণ শুরু করেছিলেন কুইন্টন ডিকক ও রাহুল। ওপেনিং জুটিতে ৪.১ ওভারে ওঠে ৪২। এরপরই ধাক্কা। শার্দূল ঠাকুর এসে ডিকককে তুলে নেন। ১৩ বলে ২৩ রান করে আউট হন ডিকক। এরপর দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলারদের আর কোনও সুযোগ দেনন লোকেশ রাহুল ও দীপক হুডা। লখনউর এই দুই ব্যাটারই দারুণ ছন্দে রয়েছেন। বিশেষ করে লোকেশ রাহুলের কথা বলতেই হবে। রাহুল ও দীপক দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৯৫। জুটি ভাঙার জন্য সেই শার্দূল ঠাকুরকেই দায়িত্ব নিতে হয়। নিজের বলেই ক্যাচ ধরে দীপক হুডাকে ফেরান শার্দূল। ৩৪ বলে ৫২ রান করেন হুডা। হুডা আউট হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান লোকেশ রাহুল। অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে ৫১ বলে ৭৭ রান করে তিনি শেষ পর্যন্ত আউট হন। ১৬ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন মার্কাস স্টয়নিস। ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৫ রান তোলে লখনউ। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে তিনটি উইকেটই নেন শার্দূল ঠাকুর। জয়ের জন্য সামনে ১৯৬ রানের লক্ষ্য। এই ধরণের লক্ষ্যে পৌঁছতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। সেটাই করতে পারেনি দিল্লি ক্যাপিটালস। পৃথ্বী শর ব্যাটে ধারাবাহিকতার অভাব। এজিন মাত্র ৫ রান করে আউট হন। তাঁকে তুলে নেন দুষ্মন্ত চামিরা। ডেভিড ওয়ার্নারও এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৪ বলে ৩ রান করে মহসীন খানের বলে আয়ূশ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৩ ওভারের মধ্যে ১৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। মিচেল মার্শ পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনিও বেশিক্ষণ ক্রিজে স্থায়ী হননি। ২০ বলে ৩৭ রান করে তিনি কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের বলে তিনি আউট হন। ঋষভ পন্থকে (৩০ বলে ৪৪) তুলে নেন মহসীন খান। ললিত যাদব (৩) রান পাননি। রভম্যান পাওয়েল ২১ বলে করেন ৩৫। তিনি মহসীন খানের শিকার। শার্দূল ঠাকুরকেও (১) তুলে নেন মহসীন। শেষ দিকে জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন অক্ষর প্যাটেল (২৪ বলে অপরাজিত ৪২) ও কুলদীপ যাদব (৮ বলে অপরাজিত ১৬)। কিন্তু দলকে জয় এনে দিতে পারেননি। ২০ ওভারে ১৮৯/৭ তোলে দিল্লি। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন মহসীন খান।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্যর্থ লোকেশ রাহুল, বড় রানে পৌঁছতে পারল না লখনউ সুপার জায়ান্টসও

প্লে অফের লড়াইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারলেন না লখনউ সুপার জায়ান্টসের ব্যাটাররা। বলতে গেলে জ্বলে উঠতে দিলেন না কাগিসো রাবাডা। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের জন্যই প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৩ রানের বেশি তুলতে পারল না লখনউ সুপার জায়ান্টস। সর্বোচ্চ রান ওপেনার কুইন্টন ডিককের। তিনি করেন ৪৬। দুরন্ত ছন্দে থাকা লোকেশ রাহুল এদিন ব্যর্থ। টস জিতে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ব্যাট করতে পাঠান পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। শুরুটা ভাল হয়নি লখনউর। দুরন্ত ফর্মে থাকা অধিনায়ক লোকেশ রাহুল এদিন ব্যর্থ। তৃতীয় ওভারে কাগিসো রাবাডার পঞ্চম বলে দলের ১৩ রানের মাথায় লোকেশ রাহুল। ১১ বল খেলে ১টি চারের সাহায্যে মাত্র ৬ রান করেন তিনি। এরপর দলেকে টেনে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডা। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে লখনউ তোলে ৩৯/১। ৭.৪ ওভারে ৫০ রান পূর্ণ হয় লখনউর। দলকে ভালোই টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডা। জুটিতে দুজনে মিলে তোলেন ৮৫ রান। ১২.৪ ওভারে জুটি ভাঙেন সন্দীপ শর্মা। তাঁর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ডিকক। ৩৭ বলে ৪৬ রান করেন তিনি। দলের ১০৪ রানের মাথায় আউট হন দীপক হুডা। ১টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে তিনি ২৮ বলে ৩৪ রান করেন। এরপরই ধস নামে লখনউ সুপার জায়ান্টস ইনিংসে। ১৫ তম ওভারের প্রথম ও পঞ্চম বলে ক্রুণাল পাণ্ডিয়া (৭) ও আয়ুষ বাদোনিকে (৪) ফেরান রাবাডা। পরের ওভারেই মার্কাস স্টইনিসকে (১) তুলে নেন রাহুল চাহার। নিজের বলেই তিনি ক্যাচ ধরেন। ১৮তম ওভারের চতুর্থ বলে জেসন হোল্ডারকে (৮ বলে ১১) তুলে নেন চাহার। ১৯ তম ওভারে রাবাডার প্রথম দু বলে পরপর ছয় মেরে পরের বলেই আউট দুষ্মন্ত চামিরা। তিনি ১০ বলে করেন ১৭। এরপর লখনউ ১৫০ রানের গন্ডি পার হয় মহসীন খানের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে। ১ করে চার ও ছয় মেরে ৬ বলে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন মহসীন। ৪ ওভারে ৩৮ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন রাবাডা।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শততম ম্যাচে সেঞ্চুরি লোকেশের, টানা হাফডজন হারে নজির মুম্বইয়ের

রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলেই শূন্য রানে বোল্ড হয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। সেদিন মাঠে হাজির ছিলেন বান্ধবী আথিয়া শেট্টি ও হবু শ্বশুর সুনীল শেট্টি। হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত হতে হয়েছিল। তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানারকম মিম ছড়িয়ে পড়েছিল। ব্যাপারটা হয়তো ভালভাবে নিতে পারেননি লোকেশ রাহুল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দারুণভাবেই জ্বলে উঠলেন। তাঁর দুরন্ত শতরানের দাপটেই উড়ে গেল মুম্বই। ১৮ রানে জিতল লখনউ সুপার জায়ান্টস। টানা ৬ ম্যাচে হার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। চলতি আইপিএলে প্লে অফের সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ হয়ে গেল ৫ বারের চ্যাম্পিয়নদের। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে আইপিএলে এদিন শততম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন লোকেশ রাহুল। মাইলস্টোনের ম্যাচে রীতিমতো নজির গড়ে জেতালেন লোকেশ রাহুল। ৬০ বলে করলেন ১০৩। তাঁর আগে কোনও ক্রিকেটার আইপিএলের শততম ম্যাচে সেঞ্চুরি করতে পারেননি। আইপিএলের ইতিহাসে রেকর্ড গড়লেন লোকেশ রাহুল। এদিন আরও একটা নজির গড়েছেন তিনি। চলতি আইপিএলে প্রথম অধিনায়ক হিসেবে সেঞ্চুরি করার নজির গড়লেন। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে রীতিমতো মরণবাঁচন ম্যাচ ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে। হারা মানেই প্লে অফের স্বপ্ন থেকে রীতিমতো দুরে সরে যাওয়া। ডু অর ডাই ম্যাচেও জ্বলে উঠতে পারলেন না রোহিতরা। রোহিত শর্মার দলকে ডোবাল দলের বোলিং। টাইমল মিলস, ফাবিয়ান অ্যালেন, জয়দেব উনাদকাত, মুরুগান অশ্বিনদের ছন্নছাড়া বোলিং কাজ সহজ করে দিয়েছিল লোকেশৃ্ রাহুলদের।টস জিতে এদিন লখনউ সুপার জায়ান্টকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতে ৫২ তোলেন লোকেশ ও কুইন্টন ডিকক। ফাবিয়ান অ্যালেনের বলে ডিকক (১৩ বলে ২৪) ফিরে যাওয়ার পর লোকেশের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান মণীশ পাণ্ডে। ২৯ বলে ৩৮ রান করে মুরুগান অশ্বিনের বলে বোল্ড হন মণীশ। লোকেশ রাহুলকে অবশ্য আটকানো যায়নি। ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ৫৬ বলে। শেষ পর্যন্ত ৬০ বলে ১০৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। লোকেশ রাহুলের ইনিংসে রয়েছে ৯টি চার ও ৫টি ছয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে লখনউ তোলে ১৯৯। দলকে চলতি আইপিএলে প্রথম জয় এনে দেওয়ার জন্য রোহিত শর্মাকে জ্বলে উঠতে হত। তাঁকে সে সুযোগ দেননি আবেশ খান। তৃতীয় ওভারে আবেশের বল ব্যাটেরল কানায় লাগিয়ে ডিককের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত (৬)। ক্রিজে নেমে ঝড় তুলেছিলেন বেবি এবি ডিওয়ালড ব্রেভিস। কিন্তু তাঁর ঝড় বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। আবেশের বলে দীপক হুডার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। ৬টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ১৩ বলে ৩১ রান করেন ব্রেভিস। পরের ওভারেই ঈশান কিশানকে (১৩) তুলে নিয়ে মুম্বইকে চাপে ফেলে দেন স্টয়নিস। এরপর মুম্বইকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন সূর্যকুমার যাদব ও তিলক ভার্মা। জুটি ওঠে ৬৪। পঞ্চদশ ওভারে তিলককে (২৬ বলে ২৬) তুলে নেন হোল্ডার। পরের ওভারেই সূর্যকুমারকে (২৭ বলে ৩৭) ফেরান রবি বিষ্ণোই। কায়রন পোলার্ড (১৪ বলে ২৫) চেষ্টা করেও মুম্বইকে জয় এনে দিতে পারেননি। ২০ ওভারে ১৮১/৯ রানে থেমে যায় মুম্বইয়ের ইনিংস।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত!‌ ভারতীয় ক্রিকেট দলের এই ওপেনার কে নিয়ে মিমের বন্যা

তুই এই ছেলেকে পছন্দ করেছিস? যে কিনা ব্যাট করতে পারে না। প্রথম বলেই শূন্য রানে বোল্ড হয়? মুম্বই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্যালারিতে বসে রবিবার রাতে মেয়ে আথিয়াকে এই কথা গুলো কি আদৌও বলেছিলেন সুনীল শেট্টি? যদি বলে থাকেন অবাক হওয়ার কিছু নেই। রবিবার হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত লোকেশ রাহুল।সুনীল শেট্টির মেয়ে আথিয়া লোকশ রাহুলের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন, একথা আর কারও অজানা নেই। রবিবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালস লখনউ সুপার জায়ান্টসের ম্যাচ ছিল। লোকেশ রাহুল আবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক। বাবা সুনীল শেট্টিকে নিয়ে স্টেডিয়ামে এসেছিলেন আথিয়া। বয়ফ্রেন্ডের খেলা দেখাতে। আর হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত লোকেশ রাহুল। ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলেই ছিটকে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়কের স্টাম্প। ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলেই লোকেশ রাহুলের স্টাম্প ছিটকে যেতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মিম ছড়িয়ে পড়ে মিম। নেটিজেনদের অনেকেই মজা করে বলতে শুরু করেন, প্রথম বলে আউট হওয়ার আর দিন পেলেন না লোকেশ রাহুল! বাবাকে নিয়ে খেলা দেখতে এসেছেন গালফ্রেন্ড। আর সেদিনই কিনা বেইজ্জত হল! সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা শুরু হয়। এক নেটিজেন লেখেন, আথিয়া ও সুনীল শেট্টি, মেয়েবাবা মিলে রাহুলকে দেখতে এলেন। আর ভাই, শূন্য রানেই আউট হয়ে গেলেন। অন্য এক নেটিজেন লেখেন, আথিয়া শেট্টির সামনে মানসম্মান ডুবিয়ে দিলেন লোকেস রাহুল। শ্বশুর সুনীল শেট্টি নতুন জামাই খুঁজতে বেরিয়ে গিয়েছেন। আর একজন সুনীল ও আথিয়ার ছবি পোস্ট করে লেখেন, আথিয়াকে সুুনীল বলছেন, এই তোমার বয়ফ্রেন্ড? রবিবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে লখনউ সুপার জায়েন্টসের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৫ রান তোলে রাজস্থান রয়্যালস। সেই রান তাড়া করতে নামেন রাহুল এবং কুইন্টন ডিকক। কিন্তু লখনউয়ের ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হয়ে যান রাহুল। ট্রেন্ট বোল্টের দক্ষতার কাছে হার মানেন। অফস্টাম্পের বাইরে পড়া বল শেষমুহূর্তে বল সুইং করে লোকেশ রাহুলের ব্যাট এবং প্যাডের মধ্যে দিয়ে স্টাম্পে আছড়ে পড়ে।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌৭ উইকেটে বিধ্বস্ত ভারত, সিরিজ দক্ষিণ আফ্রিকার, শেহবাগের রেকর্ড স্পর্শ কোহলির

টেস্ট সিরিজে পিছিয়ে থেকে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। একদিনের সিরিজে ভারতকে কোনও সুযোগই দিল না। প্রথম একদিনের ম্যাচে ৩১ রানে জিতে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ৭ উইকেটে হারিয়ে একম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জিতে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০১৮ সালে ঘরের মাঠে একদিনের সিরিজ হারের মধুর প্রতিশোধ নিল প্রোটিয়ারা।পার্লের বোল্যান্ড পার্কে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে টস ভাগ্য অবশ্য সহায় হয়েছিল লোকেশ রাহুলের। আগের ম্যাচে পরে ব্যাট করতে গিয়ে মন্থর উইকেটে সমস্যা হয়েছিল। সেকথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। ভাল শুরু করেছিলেন ভারতীয় দলের দুই ওপেনার রাহুল ও শিখর ধাওয়ান। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬৩। এরপরই ছন্দপতন। ৩৮ বলে ২৯ রান করে এইডেন মার্করামের বলে আউট হন শিখর ধাওয়ান। পরের ওভারেই বিরাট কোহলিকে (০) তুলে নেন কেশব মহারাজ। ভারত হারলেও এদিন বীরেন্দ্র শেহবাগের রেকর্ড স্পর্শ করলেন বিরাট কোহলি। বীরেন্দ্র শেহবাগ ৩৭৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৩১ বার শূন্যে আউট হয়েছিলেন। বিরাট কোহলি নিজের ৪৫০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে শেহবাগের সেই রেকর্ড স্পর্শ করলেন। শেহবাগ টেস্টে ১৬ বার, একদিনের আন্তর্জাতিকে ১৪ বার এবং টি ২০ আন্তর্জাতিকে একবার শূন্যে আউট হয়েছেন। ফলে বিরাট এদিন একদিনের আন্তর্জাতিকে শেহবাগের ১৪ বার শূন্য রানে আউট হওয়ার নজির স্পর্শ করলেন।এক ওভারের ব্যবধানে পরপর দুটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। অধিনায়ক লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের চওড়া ব্যাট ভারতকে চাপ থেকে বার করে নিয়ে আসে। জুটিতে ওঠে ১১৫ রান। জুটি ভাঙেন সিসান্দা মাগালা। তুলে নেন লোকেশ রাহুলকে। ৭৯ বলে ৫৫ রান করে আউট হন রাহুল। পরের ওভারেই তাবরেজ সামসির বলে আউট হন ঋষভ পন্থ। ৭১ বলে তিনি করে ৮৫। এটাই ঋষভের একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান। পরপর দুটি উইকেট হারিয়ে আবার চাপে পড়ে যায় ভারত রান তোলার গতিও কমে যায়। এর মাঝেই ৩৬.৫ ওভারের মাথায় আউট হন শ্রেয়স আয়ার (১১)। ভারতের রান তখন ২০৭/৫। ভেঙ্কটেশ আয়ার ৩৩ বলে ২২ রান করে আউট হন। শার্দূল ঠাকুর (৩৮ বলে অপরাজিত ৪০) ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনের (২৪ বলে অপরাজিত ২৫) সৌজন্যে ৫০ ওভারে ২৮৭/৬ রানে পৌঁছয় ভারত। তাবরেজ সামসি ৯ ওভারে ৫৭ রানে ২টি, কেশব মহারাজ ৯ ওভারে ৫২ রানে ১টি, এইডেন মার্করাম ৮ ওভারে ৩৪ রানে ১টি, সিসান্ডা মাগালা ৮ ওভারে ৬৪ রানে ১টি, ফেলুকায়ো ৮ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ২৮৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার জানেমান মালান ও কুইন্টন ডিকক। প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হলেও এদিন ভারতীয় বোলারদের কোনও সুযোগই দেননি। যশপ্রীত বুমরা, ভুবনেশ্বর কুমারদের ওপর চূড়ান্ত দাপট দেখিয়ে ওপেনিং জুটিতে মালান ও ডিকক তোলেন ১৩২। শার্দূল ঠাকুর এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন ডিকককে। ৬৬ বলে ৭৮ রান করে আউট হন ডিকক। ডিকক ফিরে গেলেও চাপে পড়েনি দক্ষিণ আফ্রিকা। জানেমান মালামনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। দলের ২১২ রানের মাথায় যশপ্রীত বুমরার বল ব্যাটের ভিতরের দিকে কানায় লাগিয়ে আউট হন জানেমান মালান। ১০৮ বলে ৯১ রান করেন তিনি। পরের ওভারেই যুজবেন্দ্র চাহালের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়ে আউট হন বাভুমা (৩৬ বলে ৩৫)। উইকেটে জমে যাওয়া দুই ব্যাটারকে পরপর দুওভারে তুলে নিয়েও দক্ষিণ আফ্রিকাকে চাপে ফেলতে পারেনি ভারত। ধীরে ধীরে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান এইডেন মার্করাম (৪১ বলে অপরাজিত ৩৭) ও রাসি ভ্যান ডার ডুসেন (৩৮ বলে অপরাজিত ৩৭)। ৪৮.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৮৮ রান তুলে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের হয়ে যশপ্রীত বুমরা, যুজবেন্দ্র চাহাল ও শার্দূল ঠাকুর ১টি করে উইকেট নেন।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কার ওপর নির্ভর করছে সিরিজে ভারতের সমতা ফেরানোর ভাগ্য?‌

টেস্ট সিরিজের পর একদিনের সিরিজেও কি হারতে হবে ভারতকে? পার্লের বোল্যান্ড পার্কে প্রথম ম্যাচে হারে সেই আশঙ্কাই তৈরি হয়েছে ভারতীয় দলের সামনে। সিরিজ বাঁচাতে গেলে ঘুরে দাঁড়ানো ছাড়া রাস্তা নেই লোকেশ রাহুলদের। সমতা ফরানোর জন্য ব্যাটারদের দিকেই তাকিয়ে ভারতীয় দলের অন্তর্বর্তীকালীন অধিনায়ক। সিরিজের প্রথম ম্যাচে পরাজয় ভারতীয় দলকে নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন তুলে দিয়ে গেছে। অধিনায়ক লোকেশ রাহুল পর্যন্ত প্রথম ম্যাচের পর মেনে নিয়েছেন ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্যই ডুবতে হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার তেম্বা বাভুমা ও রাসি ভ্যান ডার ডুসেন মিডল অর্ডারে যেরকম বড় পার্টনারশিপ গড়ে তুলেছিলেন, ভারতীয় দলের মিডল ও লোয়ার মিডল অর্ডারে সেরকম বড় কোনও পার্টনারশিপ গড়ে ওঠেনি। শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি আউট হওয়ার পর ধস নামে ভারতীয় শিবিরে। সব থেকে বড় কথা, ২০১৯ বিশ্বকাপের পর ২ বছরেও বেশি সময় অতিক্রান্ত, এখনও চার নম্বর জায়গায় উপযুক্ত ব্যাটার খুঁজে পেল না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ঋষভ পন্থকে খেলানো হয়েছিল। তিনিও ব্যর্থ।প্রশ্ন উঠেছে প্রথম ম্যাচে লোকেশ রাহুলের নেতৃত্ব নিয়েও। হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে অলরাউন্ডার হিসেবে ভেঙ্কটেশ আয়ারকে দলে নেওয়া হয়েছে। অথচ প্রথম ম্যাচে তাঁকে ১ ওভারও বল দেওয়া হয়নি। বুমরা, অশ্বিনরা যখন বাভুমাডুসেনের জুটি ভাঙতে পারছিলেন না, তখন ভেঙ্কটেশকে দেখে নিতেই পারতেন লোকেশ রাহুল। মাঠের মধ্যে ভারতীয় ক্রিকেটারদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজও ইতিবাচক ছিল না। তার ওপর পরের দিকে উইকেট মন্থর হয়ে যাওয়ায় ভারতীয় ব্যাটারদের শট খেলতেও অসুবিধা হয়েছে। সিরিজে সমতা ফেরাতে গেলে ব্যাটারদের যেমন দায়িত্ব নিতে হবে, জ্বলে উঠতে হবে বোলারদেরও। বিশেষ করে দুই স্পিনারকে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। বোলিং বিভাগে কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা না থাকলেও ব্যাটিং অর্ডারে বদল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সূর্যকুমার যাদবকে প্রথম একাদশে খেলানোর ভাবনা টিম ম্যানেজমেন্টের। একটা ম্যাচে ব্যর্থ বলে ভেঙ্কটেশ আয়ারকেও আবার বসানোর পক্ষপাতি নয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সব মিলিয়ে প্রথম একাদশ নির্বাচন নিয়ে দ্বিধা রয়েছে। তবে ঘুরে দাঁড়াতে গেলে ভারতীয় ব্যাটারদের বাড়তি দায়িত্ব নিতেই হবে। পাশাপাশি সঠিক পরিকল্পনা করতে হবে লোকেশ রাহুলকেও।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

একদিনের সিরিজে নামছে ভারত, ৭ বছর পর শুধুই ব্যাটার‌ কোহলি

কদিন আগেই লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিরাট কোহলি। তার আগেই অবশ্য একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দিয়েছিলেন নির্বাচকরা। দীর্ঘ ৭ বছর পর আবার নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড ছাড়াই মাঠে নামবেন কোহলি, সাধারণ ব্যাটার হিসেবে। নেতৃত্বের চাপমুক্ত হয়ে কোহলি কতটা জ্বলে উঠতে পারেন, সেদিকেই তাকিয়ে আপামর ক্রিকেটপ্রেমী। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে শুধু কোহলির দিকেই নয়, ক্রিকেট প্রেমীদের নজর লোকেশ রাহুলের দিকেও। চোটের জন্য রোহিত শর্মা ছিটকে যাওয়ায় নেতৃত্বের দায়িত্ব লোকেশ রাহুলের কাঁধে। অনেকেই ভবিষ্যতের নেতা হিসেবে তাঁকেই দেখতে শুরু করেছেন। এই অবস্থায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ রাহুলের কাছে অগ্নিপরীক্ষা। তাঁর নেতৃত্বের দিকে নজর থাকবে সকলেরই। কোহলির কাছ থেকে কতটা সাহায্য পান সেটাও দেখার। লোকেশ রাহুলেন কাছে যেমন নেতৃত্বের অগ্লিপরীক্ষা, তেমনি ব্যাটার হিসেবে পরীক্ষায় বসতে হচ্ছে শিখর ধাওয়ানকেও। দীর্ঘিদন ব্যাটে রান নেই ভারতীয় দলের এই ওপেনারের। ঋতুরাজ গায়কোয়াড় জায়গা নেওয়ার জন্য তৈরি। এই অবস্থায় দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে রান না পেলে দলে জায়গা ধরে রাখাই কঠিন হয়ে যাবে শিখর ধাওয়ানের কাছে। ২০২৩ বিশ্বকাপের লক্ষ্যে এখন থেকেই দল তৈরি করে নেওয়াই লক্ষ্য ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের। শক্তির বিচারে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে ভারত। রোহিত শর্মা না থাকায় লোকেশ রাহুল ওপেন করবেন। ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে সেই ইঙ্গিতও দিয়ে গেছেন ভারতীয় দলের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ। তিনি বলেন, দলের প্রয়োজনে ৪৫ নম্বরেও ব্যাটিং করেছি। কিন্তু এই সিরিজে রোহিত নেই। তাই ওপেন করব। পুরো সিরিজের কথা না ভেবে আপাতত এক একটা ম্যাচ ধরে এগোতে চান লোকেশ রাহুল। মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলির মতো অধিনায়কদের অধীনে খেলেছেন। তাঁদের কাছে যা শিখেছেন, সেটাই কাজে লাগাতে চান। পার্লের বোল্যান্ড পার্কের উইকেটে স্পিনাররা সাহায্য পেতে পারেন। তাই দুই স্পিনার নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা ভারতীয় শিবিরের। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে যুজবেন্দ্র চাহাল। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে দলে সুযোগ পাননি হার্দিক পান্ডিয়া। অলরাউন্ডার হিসেবে অভিষেক হতে চলেছে ভেঙ্কটেশ আয়ারের। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেন করবেন শিখর ধাওয়ান। তিনে বিরাট কোহলি, চারে সূর্যকুমার যাদব, পাঁচে ঋষভ পন্থ। তিন জোরে বোলার দীপক চাহার, শার্দূল ঠাকুর কিংবা ভুমনেশ্বর কুমার ও যশপ্রীত বুমরা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : কোহলির না থাকার ধাক্কা সামলাতে ব্যর্থ ভারত, দ্বিতীয় টেস্টে কেন ব্যাটিং বিপর্যয়?‌

ওয়ান্ডারার্সে ইতিহাসের হাতছানি ভারতীয় দলের সামনে। দ্বিতীয় টেস্ট জিতলেই দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পাবে। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে চোটের জন্য ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি? যতই ফর্মে না থাকুন, কোহলির খেলা আর না খেলার মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য রয়েছে। যেটা প্রমাণ হয়ে গেল জোহানেসবার্গে। ওয়ান্ডারার্সে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের। ৬৩.১ ওভারে গুটিয়ে গেল মাত্র ২০২ রানে। সর্বোচ্চ রান ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের।জোহানেসবার্গের উইকেট বরাবরই জোরে বোলারদের সহায়ক। যার ফায়দা তুলে নিলেন ডোয়েন অলিভিয়ের, মার্কো জানসেন, কাগিসো রাবাডারা। যদিও উইকেট দেখে শুরুর দিকে কিছুটা ফ্ল্যাট মনে হয়েছিল। টসে জিতে লোকেশ রাহুল ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ভাল শুরু করেছিলেন ভারতীয় দলের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৩৬। পঞ্চদশ ওভারের প্রথম বলেই মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২৬) তুলে নেন মার্কো জানসেন। ক্রিজে নেমে সতর্কভাবে ব্যাট করছিলেন চেতেশ্বর পুজারা। মাথার ওপর বাদ যাওয়ার খাঁড়া ঝুলছে। চাপ নিতে পারলেন না। ডোয়েন অলিভিয়েরের বলে বাভুমার হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে আউট হন পুজারা (৩)। পরের বলেই খোঁচা দিয়ে ড্রেসিংরুমের পথে অজিঙ্ক রাহানে (০)। নিজেদের টেস্ট কেরিয়ার বাঁচাতে আর মাত্র একটা ইনিংস সুযোগ পাবেন ভারতীয় দলের এই দুই মিডল অর্ডার ব্যাটার।বিরাট কোহলি চোটের জন্য ছিটকে যাওয়ায় সুযোগ পেয়েছেন হনুমা বিহারী। কারণ শ্রেয়স আয়ারও অসুস্থ। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না বিহারী। ব্যক্তিগত ২ রানের মাথায় একবার জীবন পেয়ে ৫৩ বলে ২০ রান করে রাবাডার বলে আউট হন। ঋষভ পন্থ ১৭ রান করে মার্কো জানসেনের ভেতরে ঢুকে আসা বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।নেতৃত্বের ব্যাটন দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দিয়েছিল লোকেশ রাহুলের। শুরু থেকেই সতর্কভাবে ব্যাট করে দলকে টানছিলেন। অর্ধশতরান পূরণ করার পর মনসংযোগ হারান। মার্কো জানসেনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল পুল করতে গিয়ে ফাইন লেগে কাগিসো রাবাডার হাতে ধরা পড়েন। ১৩৩ বলে ৫০ রান করেন লোকেশ রাহুল। লোকেশ রাহুল আউট হওয়ার পরই ভারতের বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। পরের দিকে সঙ্গী পাবেন না ভাবেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৫০ বলে ৪৬)। তাঁর ও যশপ্রীত বুমরার (অপরাজিত ১৪) সৌজন্যে ২০০ রানের গন্ডি পার হয় ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে মার্কো জানসেন ৩১ রানে ৪টি, কাগিসো রাবাডা ও ডোয়েন অলিভিয়ের ৬৪ রানে ৪টি করে উইকেট পান।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India Cricket : কোহলির সহকারী হিসেবে বেছে নেওয়া হল লোকেশ রাহুলকে, সেঞ্চুরিয়ানে কোথায় রয়েছে ভারতীয় দল?‌

রোহিত শর্মা টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব কার হাতে তুলে দেওয়া হবে, তা নিয়ে জল্পনা ছিল। দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন লোকেশ রাহুল। প্রত্যাশামতোই তাঁকে বিরাট কোহলির সহকারি হিসেবে বেছে নিলেন নির্বাচকরা। শনিবার সহকারী কোচ হিসেবে লোকেশ রাহুলের নাম ঘোষণা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাঁকেই যে ভবিষ্যতের টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে ভাবতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, এই সিদ্ধান্তে পরিস্কার।টেস্ট দল ঘোষণার সময় অজিঙ্ক রাহানেকে সরিয়ে সহ অধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল রোহিত শর্মাকে। মুম্বইয়ে অনুশীলনের সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ থেকে ছিটকে যান তিনি। তখন থেকেই আলোচনা চলছিল, রোহিতের পরিবর্তে কাকে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হবে। রোহিতের পরিবর্ত হিসেবে গুজরাটের ওপেনার প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালকে দলে নেওয়া হলেও বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয় সহ অধিনায়কের নাম পরে ঘোষণা করা হবে। সেই মতো শনিবার লোকেশ রাহুলের নাম ঘোষণা করা হল। এই মুহূর্তে রোহিত জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে রিহ্যাব করছেন। চোট পাওয়া আর এক ক্রিকেটার রবীন্দ্র জাদেজাও রোহিতের সঙ্গে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে রয়েছেন।নির্বাচকরা আশা করছেন টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেও একদিনের সিরিজের আগে ফিট হয়ে যাবেন রোহিত। আর রোহিত যদি একান্তই ফিট না হতে পারেন, সেক্ষেত্রে বিকল্পও ভেবে রেখেছেন নির্বাচকরা। লোকেশ রাহুলকে একদিনের সিরিজের অধিনায়ক করা হবে। এই মুহূর্তে তিনি নিজেকে তিন ধরণের ফরম্যাটে অপরিহার্য প্রমাণ করেছেন। ইংল্যান্ড সফরে চোটের জন্য মায়াঙ্ক আগরওয়াল ছিটকে যাওয়ায় প্রথম একাদশে জায়গা করে নেন লোকেশ রাহুল। সুযোগ পেয়েই নিজেকে অপরিহার্য প্রতিপন্ন করেছেন।এদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছে প্রস্তুতিতে নেমে পড়ল ভারতীয় দল। শনিবার সেঞ্চুরিয়ানে ফুটভলি খেলেন বিরাট কোহলিরা। মুম্বইয়ে ৩ দিনের কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা উড়ে যায় ভারতীয় দল। সেঞ্চুরিয়ানে পৌঁছে একদিনের আইসোলেশনে ছিলেন কোহলিরা। তারপর অনুশীলনে নেমে পড়লেন। করোনা আতঙ্কের জন্য ভারতীয় দলকে পাঁচতারা হোটেলের পরিবর্তে রিসর্টে রাখা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lokesh Rahul : দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বিরাট কোহলির ডেপুটি কে? এগিয়ে এই ক্রিকেটার

অজিঙ্ক রাহানের হাতেই কি ফিরিয়ে দেওয়া হবে ভারতীয় দলের সহ অধিনায়কের দায়িত্ব? না, বিরাট কোহলির ডেপুটি হিসেবে নতুন কাউকে বেছে নেওয়া হবে? দ্বিতীয় পথেই হাঁটতে চলেছেন ভারতীয় দলের নির্বাচকরা। রোহিত শর্মার পরিবর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে লোকেশ রাহুলের হাতেই দায়িত্ব দিতে চলেছে চেতন শর্মার নেতৃত্বাধীন জাতীয় নির্বাচকমণ্ডলী। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের জন্য অজিঙ্ক রাহানেকে সরিয়ে কদিন আগেই রোহিত শর্মার হাতে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন নির্বাচকরা। টেস্ট সিরিজের জন্য মুম্বইয়ের বান্দ্রা কুরলা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে প্রস্তুতি সারছিলেন রোহিত। অনুশীলন করার সময় বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান ভারতীয় দলের এই ওপেনার। টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে যান। তাঁর পরিবর্তে ওপেনার হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে গুজরাটের প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালকে। প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালকে দলে নেওয়া হলেও সহ অধিনায়ক কাকে করা হবে তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। অজিঙ্ক রাহানের হাতে আবার সহ অধিনায়কের দায়িত্ব তুলে দিয়ে পেছনে ফিরে তাকাতে চায় না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। দলে সিনিয়র হিসেবে রয়েছেন চেতেশ্বর পুজারা, রবিচন্দ্রন অশ্বিনরা। যেরকম ফর্মে রয়েছেন, তাতে প্রথম একাদশে জায়গা নিশ্চিত নয় পুজারার। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের কোনও পর্যায়ে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা নেই। ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কথা ভেবে যশপ্রীত বুমরার হাতে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব তুলে দিতে চান না নির্বাচকরা। যোগ্যতার নিরিখে লোকেশ রাহুল এগিয়ে। তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রথম একাদশেও তাঁর জায়গা নিশ্চিত। তাই সবদিক দিয়ে লোকেশ রাহুলকেই বেছে নিতে চলেছেন নির্বাচকরা।বৃহস্পতিবার বিকেলে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। তার আগে মুম্বইয়ে ২দিন কোয়ারেন্টিনে ছিল। ২৬ ডিসেম্বর থেকে সেঞ্চুরিয়ানে প্রথম টেস্ট শুরু। ভারতীয় দল সেঞ্চুরিয়ানে পৌঁছনোর পর সহ অধিনায়কের নাম ঘোষণা করা হবে। ভবিষতের নেতা হিসেবে লোকেশ রাহুল, ঋষভ পন্থদের তৈরি করতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ঋষভ পন্থের তুলনায় লোকেশ রাহুল বেশি অভিজ্ঞ হওয়ায় তাঁকেই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lokesh Rahul : কেন জরিমানার কবলে পড়তে হল লোকেশ রাহুলকে?‌

লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর দুরন্ত সেঞ্চুরি জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল ভারতের। চলতি সিরিজে বলতে গেলে তিনিই ভারতীয় ব্যাটিংয়ের অন্যতম মুখ। ওভাল টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন। ব্যক্তিগত ৪৬ রানের মাথায় জেমস অ্যান্ডারসনের বলে আউট হতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন লোকেশ রাহুল। আম্পায়ারের অসন্তোষ প্রকাশ করে আর্থিক জরিমানার কবলে পড়েছেন ভারতীয় দলের এই ওপেনার। ওভালে ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসের ৩৪তম ওভারে বোলিং করছিলেন ইংল্যান্ডের জেমস অ্যান্ডারসন। ওভারের শেষ বলে পরাস্ত হন লোকেশ রাহুল। তাঁর বিরুদ্ধে কট বিহাইন্ডের আবেদন জানান ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা। অনফিল্ড আম্পায়ার আবেদন নাকচ করে দেন। তখন ডিআরএসের আশ্রয় নেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। টিভি আম্পায়ার রিপ্লে দেখে অনফিল্ড আম্পায়ারকে সিদ্ধান্ত বদলের পরামর্শস দেন। রিপ্লেতে একটা শব্দ শুনে টিভি আম্পায়ার মনে করেছিলেন অ্যান্ডারসনের বল লোকেশ রাহুলের ব্যাট স্পর্শ করে উইকেটরক্ষক জনি বেয়ারস্টোর হাতে পৌঁছেছে। ফলে রাহুলকে আউট দেওয়ার পরামর্শ দেন। আম্পায়ারের সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি লোকেশ রাহুল। মাথা নাড়তে নাড়তে তিনি সাজঘরে ফেরেন। রাহুলের দাবি বল তাঁর ব্যাটে নয়, ব্যাট তাঁর প্যাডে লাগায় আওয়াজ হয়েছে।আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করা লোকেশ রাহুল আইসিসির কোড অফ কনডাক্টের ২.৮ ধারা লঙ্ঘন করেছেন। তাই তাঁকে শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে। ভারতীয় এই ওপেনারের ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়েছে। রাহুলের শৃঙ্খলার রেকর্ডে একটা ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হয়েছে। ম্যাচের অনফিল্ড আম্পায়ার অ্যালেক্স হোয়ার্ফ, রিচার্ড ইলিংওর্থ, তৃতীয় আম্পায়ার মাইকেল গফ ও ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রডের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত রাহুল মেনে নিয়েছেন। ওভাল টেস্টে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৭ রান করে আউট হয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন এই ভারতীয় ওপেনার। ডিআরএস সিদ্ধান্তে লোকেশ রাহুল যখন আউট হন, তিনি হাফ সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৪ রান দুরে। ১০১ বল খেলে তিনি এই রান করেন। দারুণ ব্যাট করছিলেন। বড় রানের দিকে এগোচ্ছিলেন। কিন্তু আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ফিরে যেতে হয়। ওভালে ভারত ও ইংল্যান্ডের চতুর্থ টেস্টে দুই দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। এর মধ্যেই লোকেশ রাহুলের শাস্তি পরিবেশ কিছুটা হলেও গম্ভীর করেছে। শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে জরিমানার কবলে পড়তে হল।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

পাঁচ বছর পর ব্রিগেডে মোদি! বাংলার জন্য আঠারো হাজার আটশো ষাট কোটির প্রকল্প ঘোষণা

ভোটের আবহে কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রায় পাঁচ বছর পর আবার ব্রিগেড ময়দানে তাঁর জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সভার মঞ্চে রাখা হয়েছে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে সাজানো হয়েছে পুরো মঞ্চ।সভা শুরু হওয়ার আগে ব্রিগেডের সরকারি অনুষ্ঠান থেকে বাংলার জন্য প্রায় আঠারো হাজার আটশো ষাট কোটি টাকার একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সব প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়নের নতুন দিশা খুলবে বলেই জানিয়েছেন তিনি।ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ এবং পূর্ব ভারতের উন্নয়নের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। তাঁর কথায়, সড়ক, রেল এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত আঠারো হাজার কোটিরও বেশি টাকার প্রকল্পের সূচনা হয়েছে।তিনি জানান, এই সব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলার উন্নয়নে নতুন গতি আসবে। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন আরও সহজ ও উন্নত হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, খড়গপুর থেকে মৌরিগ্রাম পর্যন্ত দ্রুতগতির সড়ক প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের বহু এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ বাড়বে। এছাড়াও দুবরাজপুর বাইপাস এবং কংসাবতী ও শিলাবতী নদীর উপর নতুন সেতু তৈরি হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।এই অনুষ্ঠানে ছয়টি রেলস্টেশনকে আধুনিকীকরণের প্রকল্পেরও উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি এই ছয়টি স্টেশনকে নতুনভাবে উন্নত করা হচ্ছে।এছাড়াও তিনি জানান, হলদিয়া বন্দর এবং কলকাতা বন্দরের সংস্কার কাজও শুরু হয়েছে। তাঁর মতে, এই উদ্যোগের ফলে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, পুরো পূর্ব ভারতের উন্নয়নেও বড় প্রভাব পড়বে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

গিরিশপার্কে রণক্ষেত্র! ইটের আঘাত মন্ত্রীর পেটে, বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

কলকাতার গিরিশপার্ক এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়েছিল। সেই ইটের আঘাত তাঁর পেটে লেগেছে বলে তিনি জানান। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি সেই আঘাতের দাগও দেখান। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে বাইরে থেকে লোক ভাড়া করে আনা হয়েছে এবং তারাই এই হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।শনিবার দুপুরে ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা রয়েছে। সেই সভায় যোগ দিতে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা ব্রিগেডের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় হঠাৎ গিরিশপার্ক এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনের এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।বিজেপির অভিযোগ, তাঁদের কর্মী সমর্থকেরা বাসে করে ব্রিগেডে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের বাসে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে। এই ঘটনায় বিজেপি নেতা তমোঘ্ন ঘোষ সহ একাধিক কর্মী আহত হন। আহত হন বৌবাজার থানার ওসিও।অন্যদিকে মন্ত্রী শশী পাঁজার দাবি, বিজেপি কর্মীরাই প্রথম হামলা চালায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের উপর আক্রমণ করা হয় এবং মারধর করা হয়। মন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি আশ্রিত বহিরাগত দুষ্কৃতীরা বাসভর্তি ইট, বোতল এবং বিস্ফোরক নিয়ে যাচ্ছিল। তাঁর কথায়, তারাই তাঁর বাড়িতে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে।শশী পাঁজা বলেন, তাঁর বাড়ি রাস্তার ধারে হওয়ায় দুষ্কৃতীরা সরাসরি সেখানে আক্রমণ চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইট, বোতল ও লাঠি নিয়ে তৃণমূল সমর্থকদের উপর হামলা করা হয় এবং তাকেও আঘাত করা হয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনায় তাঁর দলের একাধিক কর্মী সমর্থক আহত হয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ও নার্সিংহোমে ভর্তি করতে হয়েছে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, দুষ্কৃতীরা পুলিশের উপরও হামলা চালায় এবং মহিলা পুলিশকর্মী ও এলাকার কাউন্সিলরের উপরও আক্রমণ করা হয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অনেকেই বাংলার বাসিন্দা নয়, বাইরে থেকে আনা হয়েছে।মন্ত্রী আরও বলেন, বিজেপির বয়কট সংক্রান্ত একটি ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা নিয়ে প্রথমে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায় এবং ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। তাঁর কথায়, সেই সময় পুরো এলাকা যেন যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো হয়ে উঠেছিল। তিনি বলেন, একটি বড় ইট তাঁর পেটে লাগে এবং তখন তাঁকে দ্রুত ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ব্রিগেডে যাওয়ার পথে বিজেপি সমর্থকদের বাসে হামলা! ভোরে বেলদায় ভাঙচুর, উত্তেজনা চরমে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সভার আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায় বিজেপি সমর্থকদের একটি বাসে হামলার অভিযোগ উঠেছে। দুষ্কৃতীরা বাসটি ঘিরে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে বেলদা থানার পাতলি এলাকায়।জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর প্রায় পাঁচটা ত্রিশ মিনিট নাগাদ বাসটি আহার মুণ্ডা এলাকার দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী বাসটি থামিয়ে চালকের কাছে জানতে চায় বাসটি কোথায় যাচ্ছে। চালক জানান, তাঁরা ব্রিগেডে হওয়া সভায় যোগ দিতে যাচ্ছেন।অভিযোগ, এই কথা শুনেই কয়েকটি মোটরবাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা বাসটিকে ঘিরে ধরে। এরপর লাঠি নিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে বাসের কাচ ভেঙে ফেলা হয়। সেই সময় বাসের চালক এবং খালাসিও আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভাঙচুর চালিয়ে দুষ্কৃতীরা দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।কিছু সময় বাসটি ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থাকার পর পরে সেটিকে ঘুরিয়ে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ব্রিগেডের সভায় সমর্থকদের যাওয়া আটকাতেই শাসকদল ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে।অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। নারায়ণগড় ব্লকের তৃণমূল সভাপতি জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই। পুলিশ তদন্ত করলেই সত্য সামনে আসবে। তাঁর দাবি, বিজেপি নিজেরাই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে প্রচার পাওয়ার চেষ্টা করছে।তবে এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বেলদা থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় জনসভা হওয়ার কথা। সেই সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ব্রিগেডের মঞ্চ সাজানো হয়েছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে। এই বিষয়টি নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, শনিবার দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি হেলিকপ্টারে রেসকোর্সের হেলিপ্যাডে নামবেন। তারপর সেখান থেকে ব্রিগেড ময়দানে যাবেন।দুপুরের দিকে ব্রিগেডে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। মঞ্চে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। দার্জিলিংয়ের চা বাগান থেকে বাঁকুড়ার টেরাকোটা শিল্পের ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে মঞ্চ।

মার্চ ১৪, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের মাঝেও ভারতের পাশে ইরান! হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার যাওয়ার অনুমতি

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। ইতিমধ্যেই গ্যাসের দাম বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেলের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহনে সমস্যা হওয়ায় তেলের জোগান কমে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর এল ইরানের দিক থেকে। জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গত প্রায় পনেরো দিন ধরে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত চলছে। এই অবস্থায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়।ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আগেই আশার কথা শোনান। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, খুব শিগগিরই ইতিবাচক খবর আসতে পারে। তাঁর কথার কিছু সময় পরেই দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে যেতে পারবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, অবশ্যই পারবে। তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই তার প্রমাণ মিলবে।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ভারত ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি জানান, অনেক কঠিন সময়ে ভারত ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত নানা ক্ষেত্রে ইরানকে সাহায্য করেছে বলে তিনি স্মরণ করেন। সেই সম্পর্কের গুরুত্ব থেকেই ভারতের পণ্যবাহী ট্যাংকারকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে মোদীর সভা ঘিরে কড়া নিরাপত্তা! তিন হাজার রক্ষী, আকাশে উড়বে না কিছুই

বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সেখানে জাতীয় সড়ক উদ্বোধনের পাশাপাশি রাজনৈতিক বার্তাও দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভাকে ঘিরে বিজেপি শিবিরে তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলের আশপাশের এলাকা সম্পূর্ণ উড়ান নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে আকাশে কোনও ড্রোন উড়তে দেওয়া হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে নজরদারি চালাবে পুলিশ।সভাস্থলে প্রায় তিন হাজার নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হচ্ছে। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকবেন উপকূল নিরাপত্তা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার আধিকারিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রিগেড ময়দানে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন বিজেপির একাধিক নেতা।শনিবার সকাল থেকেই ব্রিগেড এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে। গোটা এলাকাকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করে নিরাপত্তা মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে থাকবেন উপ পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিকরা।চার থেকে পাঁচটি সেক্টর মিলিয়ে একজন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিক থাকবেন। তাঁদের সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনাররাও দায়িত্ব পালন করবেন।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে যে মিছিল ব্রিগেডের দিকে আসবে, সেই সব রাস্তায় প্রায় পঞ্চাশটি পিকেট বসানো হয়েছে।শিয়ালদহ, হাওড়া, শ্যামবাজার এবং দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল ব্রিগেডে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেই সব রাস্তায় বসানো হয়েছে পর্যাপ্ত নজরদারি ক্যামেরা। ব্রিগেডের মঞ্চ এবং আশপাশের এলাকাতেও ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালাবে পুলিশ।উড়ান নিষিদ্ধ এলাকা হওয়ায় আকাশে কোনও ড্রোন ব্যবহার করা হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে পুলিশ নজরদারি চালাবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

‘১৪ মার্চ ভুলিনি’—নন্দীগ্রামে শহিদ বেদিতে শুভেন্দু, একই দিনে শ্রদ্ধা মমতারও

ভোটের আবহে আবারও আলোচনায় উঠে এল নন্দীগ্রাম। দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের ঘটনাকে স্মরণ করে শনিবার নন্দীগ্রামে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে একই দিনে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে শহিদদের স্মরণ করে সামাজিক মাধ্যমে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।শনিবার সকালেই নন্দীগ্রামের মালোপাড়ায় শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতারা এবং বিজেপির একাধিক পদাধিকারী। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের সেই দিনটি ভোলা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, জমি ও বাড়ি রক্ষার জন্য নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের যে লড়াই ছিল, সেই ঐতিহাসিক দিনের স্মৃতি আজও মানুষের মনে রয়েছে।অন্যদিকে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে সকালে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, নন্দীগ্রাম দিবসে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাই সহ সমস্ত শহিদদের প্রতি তিনি বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাচ্ছেন।প্রতি নির্বাচনের আগেই নন্দীগ্রামের ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আসন্ন নির্বাচনের আগে আবারও নন্দীগ্রামকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে।সূত্রের খবর, পরে অধিকারী পাড়ার শহিদ বেদিতেও শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়ার কথা রয়েছে শাসকদলের নেতাদের। সেখানে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী এবং ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে যুক্ত নেতারাও উপস্থিত থাকবেন।জানা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারীরা প্রথমে অধিকারী পাড়ায় কর্মসূচি পালন করছেন। তারপর সোনাচূড়া শহিদ মিনারে গিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে তাঁদের।অন্যদিকে বেলা এগারোটার দিকে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকেও আলাদা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রথমে ভাঙাবেড়া এলাকায় শহিদদের স্মরণ করা হবে। এরপর অধিকারী পাড়া এবং মালোপাড়ায় কর্মসূচি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেড মঞ্চে বড় চমক? বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের মুখে বাংলার রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার মঞ্চেই তিনি পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা হয়নি। নিজেও এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি ওই চিকিৎসক।জানা গিয়েছে, ব্রিগেডে অনুষ্ঠিত বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ডাক পেয়েছেন নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, আমন্ত্রণ পেয়েছেন এবং সভায় যাবেন বলেই ভাবছেন। তবে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, সেই বিষয়ে সরাসরি উত্তর দিতে চাননি তিনি।এই প্রসঙ্গে চিকিৎসক বলেন, তিনি সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনও সভায় আমন্ত্রিত হয়ে যাওয়া মানেই যে সেই দলে যোগ দেওয়া, এমনটা নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই বামপন্থী মনোভাবাপন্ন চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। আর জি কর হাসপাতালের এক তরুণী চিকিৎসকের হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই তাঁর বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।সেই সময় জুনিয়র চিকিৎসকদের একাধিক মিছিল এবং প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তাঁকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল। রাতভর আন্দোলন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন।শুধু তাই নয়, সেই সময় তিনি আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন।তবে পরে তাঁকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।এরপর চিকিৎসকদের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও চিকিৎসক সংগঠনের প্রতিনিধি কি না, তা তারা জানে না। ব্যক্তিগতভাবে তিনি কারও সঙ্গে দেখা করতেই পারেন, কিন্তু চিকিৎসকদের সম্মিলিত আন্দোলনের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলার অধিকার তাঁকে কেউ দেয়নি বলেও ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।পরে আবার আন্দোলনের কিছু মুখের বিরুদ্ধে সমালোচনাও করতে দেখা যায় তাঁকে। সেই ঘটনার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।এখন সেই নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ই বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। সামনে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক সূত্রে খবর, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রার্থী করার পরিকল্পনা করতে পারে বিজেপি।সেই কারণে প্রশ্ন উঠছে, নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় কি ভবিষ্যতে নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারেন। তবে এই প্রশ্নের উত্তর আপাতত ভবিষ্যতের হাতেই রয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal